
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কমতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে, যার ফলে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড-এর দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৩৮ সেন্ট বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে ৭১ দশমিক ৫৭ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ সেন্ট বা ১ দশমিক ৩২ শতাংশ কমে ৬৮ দশমিক ৫৮ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক মন্তব্য তেলের দামে এই পতনের অন্যতম কারণ। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘খুব ভালো’ চলছে। একই সুরে ভ্যান্সও জানিয়েছেন, আলোচনা ‘অত্যন্ত চমৎকার’ অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কাও কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরবরাহ সংকট নিয়ে উদ্বেগ হ্রাস পায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নিম্নমুখী হয়।
বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ইতিবাচক ধারায় এগোতে থাকলে আগামী দিনগুলোতেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে দামের ওঠানামা এই কূটনৈতিক অগ্রগতির ওপর অনেকাংশে নির্ভর করবে।
মন্তব্য করুন
০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১০ এএম
০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম