
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে আরও একটি বড় অঘটনের ইঙ্গিত? ম্যাচের ফেভারিট এবং শিরোপাপ্রত্যাশী ইংল্যান্ডকে ম্যাচের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা দিল গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো)। কঙ্গো ফরোয়ার্ড ব্রায়ান সিপেঙ্গার এক অবিশ্বাস্য গোলে থ্রি লায়ন্সদের স্তব্ধ করে দিয়ে ম্যাচের শুরুতেই লিড নিয়েছে আফ্রিকান এই পরাশক্তি।
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর যখন ফুটবল পণ্ডিতরা ইংলিশদের চেনা দাপটের অপেক্ষায় ছিলেন, ঠিক তখনই রূপকথার জন্ম দেয় কঙ্গো। ম্যাচের প্রথম বাঁক বদলটি আসে দলের অভিজ্ঞ অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বার পা থেকে। রক্ষণভাগ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাকের জন্ম দেন তিনি। মাঝমাঠ পেরিয়ে ইংলিশ ডিফেন্সের ফাঁক গলে এমবেম্বা এক নিখুঁত পাস বাড়ান ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থাকা ব্রায়ান সিপেঙ্গার উদ্দেশ্যে।
বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। ইংলিশ ডিফেন্ডাররা তাকে ব্লক করার আগেই ডান পায়ের এক মাপা ও বাঁকানো শট নেন এই ফরোয়ার্ড। জর্ডান পিকফোর্ডকে (বা তৎকালিন ইংলিশ গোলরক্ষক) সম্পূর্ণ পরাস্ত করে বলটি বুলেট গতিতে জালের একেবারে নিচের বাঁ দিকের কোনা খুঁজে নেয়।
এই চমৎকার গোলের পর পুরো কঙ্গো শিবিরে উল্লাসের জোয়ার বয়ে যায়। নকআউট পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এমন উড়ন্ত সূচনা কঙ্গোর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, রক্ষণভাগের এই চরম ভুলে হতবাক গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা। ম্যাচের শুরুতেই গোল খেয়ে ব্যাকফুটে চলে যাওয়া হ্যারি কেইন-জুড বেলিংহ্যামরা কীভাবে এই ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফেরে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
মন্তব্য করুন