
চট্টগিরামের এট্টা এটিএম বুতি টাকার গরমিল দেকা দেয়। ব্যাংক কত্তিরপক্ক গুনে গাইতে দেকে ১৭ লক্ক টাকা নেই। টাকা খুয়া যাওয়ার সময়ত্তেই বুতির দায়িত্বে থাকা এক সিকুরিটি গাড ভুকসি মারিল। তারে হাত চালোক দিয়েও তলাশ কইরে পাওয়া যাচ্চিল না। কনে গেল কনে গেল কত্তি কত্তি সিসি ক্যামেরার উটা ফটক টাইনে দেকে ভুকসি মারা সিকিরিটি গাডই চাপনিতি খোপে ঢুইকে চাবি দিয়ে খুইলে তারমদ্দিতে টাকা নিয়ে চম্পট দেচ্চে। এই কান্ড দেইকে স¹লি থ’ মাইরে গেল। তেবে টাকা নিয়ে ভুকসি মাইরেও শেষ রক্কে হয়নি। তার মুবাল ফোন শিনাক্ত কইরে পুলিশ তারে ঘের দেচে। চট্টগিরামতে টাকা তুইলে নিয়ে চইলে গিলো রংপুর। কিন্তুক পোযুক্তির কাচে ঘের খাইয়ে তারে রংপুরিত্তে কট কইরেচে পুলিশ। ঘের দিয়ার সুমায় তার কাচে নগদে ১৪ লক্ক ৮৪ হাজার ৮২৮ টাকা জব্দ কইরেচে পুলিশ। চট্টগিরামের সীতাকুণ্ডোর আন্তরজাতিক ইসলামী ভাসসিটির ক্যাম্পাসে ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুতিত্তে এই টাকা চুরির খাইন বাইদেচে। ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার আওতায় থাকা বুতটা ভাসসিটির শিক্কের্থীগের টিউশন ফি কালেকশন বুত হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসতিলো। গ্যালো বুধবার দুপার তিনডের এট্টু আগে ব্যাংক কম্মকত্তা মুঈনুল ইসলাম দুপারে খাতি ভাসসিটির ক্যান্টিনি গিলেন। এই সুমায়ডায় তিনি বুতি তালা মাইরে যান। আধঘণ্টা পরে বুতি ফিরে আইসে টাকা গুইনে দেকেন এক হাজার টাকার নোটের ১৭ ডা বান্ডিলি থাকা মোট ১৭ লক্ক টাকা ক্যাশবাক্সত্তে উধাও হয়ে গেচে। পরে সিসি ক্যামেরার ফটক টাইনে দেকা যায় বুতির দায়িত্বে থাকা আয়ুব আলী নকল চাবি দিয়ে বুত খুইলে খোপে ঢোকচে। তারপর ক্যাশত্তে টাকা গুলো উটোয় নিয়ে এট্টা টিস্যু ব্যাগে ভইরে সটান চইলে যাচ্চে। এই কেস থানায় গেলি পুলিশ আয়ুব আলী ককবাজারের বাড়িতি হানা দেয়। স্যানে তারে না পাইয়ে মুবালি আড়ি পাইতে শিনাক্ত করে তিনি রংপুর আচেন। পরে পুলিশ তারে ঘের দেয়। ঘের খাইয়ে সব গড়গড় কইরে স্বীকার গেচে। কারে বিশ্বেস করবা কওদিনি বাপু ! যার হাতে চাবি, সেই যদি করে চুরি তালি কিরামডা লাগে। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন