
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের শেষ দিনে দেশটির তিনজন শীর্ষস্থানীয় নেতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সফরের অন্যতম অর্জন হিসেবে দুই দেশের মধ্যে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশ সরকার পুনরায় স্পষ্ট করেছে যে, তারা চীনকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি ও সমর্থন করে।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের হোটেল দিওয়াউতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ও তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, ১৭ সমঝোতার মধ্যে ১৩টি হয়েছে দুই দেশের মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি, ৩টি হয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিটার সঙ্গে। বাকি একটি সমঝোতা হয়েছে সরকার দল বিএনপি ও চীনের সরকারি দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রতিটি বৈঠকে চীনের নেতারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিষয়টি স্মরণ করেন এবং তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—চীনকে একটি একক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হয় এবং এ নীতির প্রতিই বাংলাদেশ তার সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীন এবং সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান।
মন্তব্য করুন