
যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচভুলট গ্রামে কাজী বশিরউদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হাতুড়ি দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কাজী বশিরউদ্দিন ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং কাজী শামসুজ্জোহার ছেলে। তিনি নিজেকে একজন পল্লী চিকিৎসক ও বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। পাশাপাশি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গোগা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন।
বশিরউদ্দিনের দাবি, বুধবার সন্ধ্যায় পাঁচভুলট বাজারে তার ওষুধের দোকানে বসে থাকার সময় আনোয়ারুল, রাজুবদ্দী, সুজন ও রিপনসহ ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে জিম্মি করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
উদ্ধারের পর প্রথমে তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. তন্ময় জানান, বশিরউদ্দিনের ডান হাত ভেঙে গেছে। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন