
দুই কুকড়োর মদ্দি কতা হচ্চে। একজন আরেকজনরে কচ্চে, আমাগের পাশের বাড়ির যে ইস্মাট মোরগডা ছিলো তারে তো কয় দিন ধরে তেকতিছিনে। ফ্যারাডা কি, কতি পারিস। তাই শুইনে পাশের কুকড়োডা কচ্চে, অম্মা তুই তো তালি কিচুই জানিসে নে। সে মোরগ তো খ্যায় হইয়ে গেচে, তারে দেকপি কনতে ! কি কইরে খ্যায় হইলো রে? অপর কুকড়োডা কচ্চে মোরগডা ফেসবুকি পিরিত করিল। সুন্দরী কুকড়ো ভাইবে যার সাতে দিন রাইত গুজুর গুজুর কইত্তো সিডা ছিলো ভুয়ো আইডি। কুকড়ো সাইজে শিয়েল মোরগডার সাতে পিরিত কইত্তো। একদিন মোরগডারে ভালবাসার টোপ দিয় বাগানের কানাচিতি দেকা করার কতা কইলো সেই ভুয়ো আইডির শিয়েল। মোরগডার তো ইশকো চইড়ে গিলো, ডানি বায় না ভাইবে সাইজে গুইজে গিলো কানাচিতি ডেটিং কত্তি। ব্যস কানাচিতি যাওয়াও সারা, শিয়েলের প্যাটে যাওয়াও সারা। পুরোন এই গল্পডা হালি কইরে সুমকি চইলে আসলো এক ঘটনায়। ফেসবুকি চাপাই নবাবগঞ্জোর সামসুল ইসলাম হাসান নামের এক পোতারক সামিয়া জাহান নামের বিটি সাইজে ভুয়ো আইডি খুইলে কাউছার আহমদ রাজু নামের মাদরাসার মাইস্টেরের সাতে পিরিত করিল। তারে চাপনিতি দেকা করার কতা কইয়ে সেই পোতারক জাফলং আসে। মাদরাসা মাইস্টেররে মেঘালয় নামের হোটেলে আসার জন্যি কয়। নিজ্জনে দেকা করার সুযোগ পাইয়ে সেই মাইস্টের মাঞ্জা মাইরে সুনামগঞ্জোত্তে জাফলং আইসে সেই হোটেলের রুমি যাইয়েই ফুল কট। যাইয়ে দেকে মাইয়ে বদলি এক মুস্তান গোচের বিটা বসা। পিস্তলের মতো লাইটার তার বুকি ঠেকায়ে মাইস্টেরের বউরে মুবাল কইরে কয় দুই লক্ক টাকা না দিলি তার বররে মাইরে ফেলবে। মাইস্টেরের বউ টাকার বিষয়ে নিমরাজি হলি পিস্তলের ভয় দেকায়ে এট্টা টমটমে নিয়ে জাফলং জিরো পয়েন এলেকায় বাংলাদেশ-ভারত বডারের ফাকা জাগায় নিয়ে যায়। রাইত সাড়ে বারোডার দিকে তার হাত পা কাপড় দিয়ে বাইন্দে গলায় ফাস দিয়ে তারে মাইরে ফেলায় থুইয়ে হোটেলে ফিরে আসে। ঐ রাত্তিরির খুনির ঘটনা জানাজানি হইয়ে থানা পুলিশ পন্তিক গড়ালি পুলিশ ভোর রাত্তিরি হোটেলে অভিযান চালায়ে খুনি সামসুলরে ধইরে ফেলে। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু! ইতি- অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন
০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম