
এট্টা সুমায় ছিল মিছিলি যে সব স্লোগান দিয়া হইতো সেইসব শুনলিও গার লোম দাড়ায় যাইতো। যারা মিছিলি থাইকতো তাগের তো বটেই যারা আশপাশে দাড়ায় শুনতো তাইগেরও রক্ত গরম হইয়ে যাইতো। তকনকার কবি সাহিত্যিক কিম্বা গুনিজনরা মিছিল, পোস্টার বা চিকা মারায় কি লিকা হবে সিডা ঠিক কইরে দেতেন। তাতে থাইকতো ছন্দ, সাহিত্য আর সংস্কৃতির ছাপ। হটাস কইরে দেকতিচি সেই মিছিলির স্লোগান বদলায় যাতি থাইকলো। ভরা মজলিসি মানসির সুমকি মিছিলি স্লোগানে কাজাকাজি হওয়া শুরু হইলো। আমি এই ডে ভাইবে আকাটা মাইরে যায় এক সুমায় যে সব বিটারা কাজাকাজি কইত্তো তারাও অন্তত মাইয়ে লোক দেকলি সুম্মান কইরে কাজানো বন্দ কইত্তো। কিম্বা মাইয়ে লোকরা কাজানো শুনলি লজ্জায় মুক লুকোতো। আর একন কাজাকাজিতি মাইয়ে লোক পাইছোয় নেই। বরং আইগোয় যাচ্চে। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু। একন মিছিলি বা স্লোগান ইরাম ইরাম শব্দ কয় যা শুনলি লজ্জা পাতি হয়। হালি কইরে হইয়েচে ফেসবুক। স্যানে ইরাম ইরাম ভাষা দিয়ে কতা ছাড়ে দেকলিও লজ্জায় আকাটা মাইরে যাতি হয়। স্যানেও বিটা বিটির কোন মানবিচ নেই। এট্টু এট্টু গুড়ুলে ছেলেপিলে ময়মুরুব্বীগের নিয়েও কুকতা সবার সুমকি লিকতি ডানি বায় তাগায় না। ইরাম কি কোন কোন দলের রাজনীতিবীর, ভাসসিটির মাইস্টের, নায়ক নায়কাও পাছোয় নেই কাজাকাজিতি। স¹লির সুমকি হরহামেশা ইরাম খাইন বাদচে কিন্তুক কারো মুকি কোন রা নেই। দিনকে দিন সুমাজিক বন্দন কাইজে যাওয়ার পতে একন সুমাজিক সুম্মান নিয়েও টানাটানি। আমি মুক্কু সুক্কু মানুস, জ্ঞানের বহর খাটো তেবে এই সব তালবায়না ্েদইকে দু’কতা না লিকে পাল্লাম না। হয়ত আমার ওপরও কেউ কেউ খাররা হতি পারেন তেবে এট্টু ভাইবে দেকেন দিনকে দিন আমাগের খাইসলত কনতে কনে উইলে যাচ্চে। যদি একনই ইডার বান্দাল দিয়া না যায় তালি তলশুড়া হতি হতি কনতে কনে চইলে যাবে ওপরয়ালাই কতি পারেন। বিষয়ডা এট্টু ভাইবে দেকার অনুরোদ কচ্চি। ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন